জার্মানিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড

0
82

জার্মানিকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড। ইউরোর শেষ ষোলোতে এমনই চমক দেখাল তারা।

ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে হাজারও সমর্থকদের উল্লাসই প্রমাণ করে সে তথ্যের সত্যতা। শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে স্বাগতিকরা।

গ্যারেথ সাউথগেটের ২৫ বছর আগের ক্ষতে প্রলেপ লাগিয়ে দিলেন রহিম স্টারলিং ও হ্যারি কেন। ১৯৯৬ সালে ইউরোর মঞ্চে নক আউট পর্যায়ে মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড ও জার্মানি। সে বার পেনাল্টি শুট আউটে হার স্বীকার করতে হয় ইংল্যান্ডকে। নিজের শট মিস করেছিলেন সাউথগেট। মঙ্গলবার প্রশিক্ষক হিসেবে তার প্রতিশোধ নিলেন তিনি।

৭৫ মিনিটে গোল করেন স্টারলিং। তার পা থেকেই শুরু হয় আক্রমণ। বাঁ দিক থেকে লুক শ-র ক্রস থেকে স্টারলিং তার তিন নম্বর গোল করে যান। ম্যানুয়েল নয়্যারের কিছু করার ছিল না। শুরু থেকেই স্টারলিং বল ধরলেই কেঁপে গিয়েছে জার্মান ডিফেন্স। ৮৬ মিনিটে ফের গোল পায় ইংল্যান্ড। অধিনায়ক হ্যারি কেন গোল করেন। গ্রেলিশের ক্রস থেকে গোল করেন তিনি।

প্রথম থেকেই আক্রমণে ঝড় তোলে ঘরের মাঠে খেলা ইংল্যান্ড। ১৬ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত তারা। ১৬ মিনিটে সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন রহিম স্টারলিং। মাঝখান থেকে উঠে এসে সরাসরি গোলে শট করেন তিনি। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে বল বাইরে বার করেন নয়্যার। কর্নার থেকেও দলকে এগিয়ে দিতে পারতেন হ্যারি ম্যাগুয়ের। ফাঁকায় হেড করার সুযোগ পেয়েও গোলে জোরাল হেড করতে পারেননি তিনি।

তবে ৩২ মিনিটে সুযোগ পায় জার্মানি। কাই হাভাৎসের থ্রু থেকে টিমো ওয়ার্নার বল ধরলে সামনে কোনও ডিফেন্ডার ছিলেন না। এগিয়ে এসে কোন ছোট করে তার শট বাঁচান পিকফোর্ড।

প্রথমার্ধের শেষদিকে স্টারলিং ফের বল নিয়ে ঢুকতে গেলে তিন ডিফেন্ডার বাধা দেন। কোনও ভাবে বল তাদের গায়ে লেগে হ্যারি কেনের কাছে যায়। তবে কেনের প্রথম টাচ ভালো না হওয়ায় ম্যাট হ্যামেলস বল বাইরে বের করে দেন। ৮২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ হাতছাড়া করেন টমাস মুলার। তার শট অল্পের জন্য বাইরে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণ করতে থাকে জার্মানি। কাই হাভাৎসের বাঁ পায়ের ভলি দারুণ দক্ষতায় বাঁচান পিকফোর্ড। বারবার আক্রমণ করলেও গোল করতে পারেনি জার্মানি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here